Slide show

[people][slideshow]
Powered by Blogger.

How to attract people in 90 seconds-কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন মাত্র ৯০...



কিভাবে মানুষকে আকৃষ্ট করবেন মাত্র ৯০ সেকেন্ডে



এখনো যারা চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব না করে থাকেন তাহলে এখনি সাবস্ক্রাইব করুন এবং পাশের বেল আইকনটি প্রেস করুন।

  একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করা যাক। আপনি কি জানেন যে কোন মানুষের সাথে মাত্র ৯০ সেকেন্ড কথা বলে সে মানুষটিকে এট্রাক্ট করে ইমপ্রেস করা যায়। এটা শুনে আপনি অবাক হলেও এটাই সত্যি। একটি রিসার্সের মাধ্যমো দেখা  গেছে যে আজ মানুষের মধ্যে এটেন্শন প্লিজ  দিন দিন খুব কমে যাচ্ছে।আপনারা দেখে থাকবেন আমরা টিভিতে যত এড দেখি  সেগুলর টাইম স্পেন্ড 30 সেকেন্ড থেকে ৯০ সেকেন্ডের  মধ্যেই হয় এবং কিছু কিছু এড ৩০ সেকেন্ডেরও কম।এই এডগুলোর কাজ হলো এই সময়ের  মধ্যেই আপনার আমর ব্রেন ওয়াশ করে দেওয়া এবং দেখুন কোথাও না কোথাও আমাদের ব্রেন ওয়াশ হয়েই যায়। এটা একটা টেকনিক । যেদিন আপনি টেকনিকটা শিখে যাবে সেদিন   আপনি পারসোনাল লাইফের সাথে সাথে প্রফেশনাল লাইফেও উন্নতি শুরু হবে।কিন্তু এই টেকনিকটা শিখবো কি করে? এই প্রশ্নের উত্তর আমরা খুঁজে পেয়েছি নিকোলাজ বুথম্যানের  লেখা বিখ্যাত বই হাউ টু মেক পিউপল লাইক ইউ ইন ৯০ সেকেন্ডে। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।



আমাদের একটা জেনারেল সাইকোলজি  হলো যে আমরা কোন মানুয়কে দেখেই কিছু সেকেন্ডের মধ্যে তার সম্পর্কে একটা ইমাজিনেশন তৈরি করে ফেলি  যে মানুষটা কেমন হতে পারে। ঠিক একইভাবে আমাদের ইম্প্রেশন অন্য মানুষ খুব তাড়াতাড়ি জাস  করে ফেলে এবং আমাদের জাস্ট কিছু সেকেন্ডে জাস  করার পরেই। এর জন্য খুব দরকার পরে স্টাটিং এর সময় অন্যের কাছে একটা ভালো ইম্প্রেশন তৈরি করা এবং তার এটেনশন সাথে সাথে ক্যাপচার করা। বেশিরভাগ মানুষই যখন কারো সাথে প্রথম কোন কথা বলে তা ঠিক বুঝে উঠতে পারে না যে তারা কি কথা বলবে ।তারা নার্ভাস হয়ে পড়ে এবং একোওয়ার্ড ব্যবহার করে। ফলে সামনের মানুয়টার সাথে ঠিক মত রিলেশন তৈরি করে উঠতে পারে না। কখনো কখনো মানুষ তাকে অপছন্দ করতে শুরু করে এবং তার সঙ্গে দ্বিতীয়বার আর কথা বলার চেষ্টাও করে না। কারণ প্রথম ইম্প্রেস শন ই সে  খারাপ করে ফেলে ।আর কথায় আছে ফাস্ট ইম্প্রেশন  ইজ লাস্ট ইম্প্রেশন।

 সুতরাং আপনাকে যদি কোন মানুষের সাথে স্ট্রং কানেকশন বানাতে চান এবং তাদের সাথে কথা বলে তাদের মন জয় করতে চান তো এই ভিডিওটি শেষ অব্দি দেখতে থাকুন।



 আমরা আপনাকে দেখাবো কিভাবে আপনি যে কোন মানুষের সাথে ইমোশন লেভেলে কানেকশন তৈরি করতে পারেন যে কিভাবে অন্যের সাথে কথা বলা উচিত এবং কি কথা বলা উচিত ইত্যাদি আপনি যদি এ ব্যাপারটা শিখে যান।আমরা কথা দিচ্ছি আপনার প্রফেশন লাইফে একজনকে ভাল কমিউনিকেটর তৈরি হতে পারবেন। চলুন শুরু করা যাক।

লেখক  এই বিষয়বস্তুকে তিনটি পার্টে বিভক্ত করেছে

1 মিটিং  ২ ইস্টাবলিশিং রেপোর্ট    এবং  ৩ কমিউনিকের্টিং।

কোন মানুষের  সাথে প্রথম সাক্ষাত করা এবং তাদের সাথে একটা যোগাযোগ স্থাপন করা এই দুই ইম্পরটেন্স স্টেপের মাঝে আপনি ৯০ সেকেন্ড সময় পাবেন ।যেখানে আপনি একজন মানুষের সাথে একটি মধুর সম্পর্ক তৈরি করে তাকে ইম্প্রেস করতে পারেন এবং একটি ইমোশন লেভেলে কানেক্শন তৈরি  করতে পারেন। সুতরাং আপনাকে একজন ভালো কমিউনিকেটর তৈরি হতে গেলে এই তিনিটি ইমপ্রটেন্ট পার্টকে মনোযোগ সহকারে বুঝতে হবে।

তো প্রথমে আসি

১ মিটিংঃ কোন  মানুষের সাথে প্রথম সাক্ষাতেই যদি আপনি একটা রাইট ইম্প্রেশন দিয়ে দিতে পারেন তো সেই মানুষটির কাছে আপনি একজন নিরাপদ , বিশ্বস্ত এবং আন্তরিক হয়ে উঠবেন যা আপনাকে সাহায্য করবে  একটা মধুর সম্পর্ক তৈরি করতে।

এখানে আমরা আপনাকে ৫টি ছোট টিপস দিব।

যাকে ফলো করে কিছু সেকেন্ডের মধ্যেই আপনি একটা রাইট ইম্প্রেশন তৈরি করতে পারবেন। যাকে আমরা বলি গ্রীটিং- মানে অভিবাদন।

১।  Be open মানে আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ সবসময় ওপেন থাকতে হবে। ক্লোজ রাখলে চলবে না। আপনি যদি দুটি হাত এইভাবে জড়ো করে রাখেন বা  দাঁড়াবার সময় দুটি পা একসাথে করে রাখেন এবং খুব অল্প জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন এটা হল ক্লোজ বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ।

 যেখানে আপনি যদি আপনার হাত ওপেন রাখেন দাঁড়াবার সময় দুটি পায়ের মাঝে একটু গ্যাপ রাখেন এবং একটু বেশি জায়গা নিয়ে দাঁড়ান সেটা হলো ওপেন বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ। সুতরাং আপনি যখন কারো সাথে প্রথম স্বাক্ষা্ত করবেন তখন যেন আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ওপেন থাকে। এতে আপনাকে ইম্প্রেসিভ দেখাবে।

২।  Eye Contract ঃ আই কন্ট্রক্ট করা খুবই ইম্প্রট্যান্ট  এবং এই ক্ষেত্রে এটা ভিশনই পাওয়াফুল। যখন কোন নতুন মানুষের সাথে সাক্ষাৎ করবেন তার সাথে কথা বলার সময় আই কন্টাক্ট করুন। এতে আপনাকে এট্রাক্টিভ এবং কনফিডেন্ট দেখাবে ।যদি আপনি ঠিক করে আই কন্টাক্ট না করেন সেটা আপনাকে নার্ভাস দেখাবে আন ইন্টারেেস্টেট দেখাবে   আপনার সামনে থাকা মানুষটার কাছে আপনি অবিস্ত হয়ে পড়বেন।যেটা কিনা এই ক্ষেত্রে খুবই ক্ষতিকারক ।তবে মনে রাখবেন সর্বক্ষণ আই কন্ট্রাক্ট রাখাটাও  ঠিক নয়। এতে আপনাকে অদ্ভুদ দেখাতে পারে। আপনি সিচুয়েশন বুঝে বুঝে ঠিক যতটা আইকন্টাকট রাখা দরকার ততটাই রাখবেন।

৩। BeamঃBeam মানে একটা জেনুইন স্মা্ইল । আই কন্টাক্ট হওয়ার পরেই আপনাকে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিটির আগেই একটি হালকা স্মাইল দিতে হবে এটা আপনার পসিটিভ এটিটুইট কে রেফলেক্ট  করবে কিন্তু মনে রাখবেন আপনার স্মইল যেন কৃত্রিম না হয়। আপনাকে একটা জিনিউইন স্মাইল দিতে হবে যেটা  আপনাকে আরো স্মার্ট করে তুলবে।

৪।Hi or Hello ঃ স্মাইল দেওয়ার পর আপনাকে একটা গুড টোন এবং ফুল এনার্জি সমেত কথা বলা শুরু করতে হবে।হাই - হ্যালো নমোস্কার যেভাবে আপনি কথা বলা শুরু করতে চান মনে রাখবেন যতটা  ভালোভাবে আপনি নিজেকে ইন্ট্রীডিইউজ করবেন সামনের জনও ঠিক ততোটা ভালো ভাবেই আপনাকে ইন্ট্রিডিউজ করব। আপনি যদি শুধু হায় বা হ্যালো বলে থেমে যান সামনের জনও শুধু হায় বা হ্যালো বলে থেমে যাবে।যেটা একটা বীশ্রী পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে।এখানে আপনাকে বলতে হবে -হ্যালো আমি প্রমিত আমি একজন নেটওয়ার্কার।আপনি দেখবেন সামনের জনও ঠিক ততটাই রিপ্লাই দিব। যেমন সে বলবে-আমি রজ্ঞন আমি একজন গ্রাফিকস ডিজাইনার।ঠিক এইভাবে আপনি আপনার কথা এটাই হবে সঠিক সময়  আপনার সামনে মানুয়টার থেকে  তার ইনফরমেশন গ্যাদার করার।





৫। লীনঃ এর পরে আসে লীন।কথা বলার সময় আপনাকে সামনের দিকে একটু লীন হতে হবে মানে ঝুঁকতে হবে যেটা আপনার সামনের মানুষটি কে দেখাবে যে আপনি তার প্রতি ইন্টারেস্টেড আছেন এবং ওপেন আছেন আমরা বারবার বলি যে নিজেকে ইন্টারেস্টিং বানিয়ে লাভ নেই আপনার সামনের মানুষটার প্রতি ইন্টারেস্টেড হোন।আরেকটা কথা আপনার সামনের মানুষটা যদি মহিলা হন তাহলে এই লীন হওয়াটা  একটু বুঝেশুনে করবেন তা না হলে এই ব্যাপারটা একটা বিশ্রী এবং  খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি করবে।



পরের পার্ট হলো

Establishing Raport.ঃ এই তিনটা পার্টের মধ্যে এই পার্টটা সবথেকে বেশি ইম্পরটেন্ট।কারন এখানে আপনি কোন মানুষের সাথে আপনি তার আবেগ এবং তার মানুষিক স্তরের সাথে গভীর সংযোগ তৈরি করতে পারবেন। যার কারণে এক অন্য মাত্রায় মানুষ আপনাকে পছন্দ করতে শুরু করবে। আপনারা নিশ্চয় জানেন আমরা ভীষণ আবেগপ্রবন হই যার ফলে আমরা ম্যাক্সিমাম ডিসিশন  মাথা থেকে নয় মন থেকে নিয়ে থাকি আর এটাই আমাদের ইমোশনাল কানেকশন তৈরি করার সাহায্য করে এবং আমরা অন্যের ইমোশন এবংফিলিং বুঝে  তার সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে পারি। এবার আমরা কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা থেকে আপনি একটা স্ট্রং Raport তৈরি করতে পারবেন।

 ১।প্রথমে আসবো এটিটিউড ঃ আপনি কখনো দেখে থাকবেন  আপনি হয়তো আপনার কোন  ক্লোজ বন্ধুর সাথে কথা বলছেন তখন আপনি উপলব্ধি করলেন যে আপনার বন্ধু আপসেট আছেন বা রেগে আছেন।আপনি জিজ্ঞেস করলেন কি হয়েছে ?সে আপনাকে হেসে বলল যে কিছুই হয়নি। আপনি বিশ্বাস করলেন না ।পরে আপনি জানলেন যে আপনি ঠিক ধরেছিলেন। কোন তো একটা কারণ হবে যার জন্য আমি বুঝতে পেরেছিলে সে মিথ্যে বলছে কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন সেনা বলা সত্ত্বেও আপনি কি করে বুঝলেন? তার এটিটুড দেখে।আমাদের এটিটুড এটা সরাসরি প্রভাব ফেলে আমাদের মাইন্ডের উপর। যেটা আমাদের সমস্ত শরীরের সাথে কানেক্টেড থাকে।দেখুন আপনার এটিটুড যদি আপসেট  থাকে যত  ভালোভাবেই কথা বলুন না কেন আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আপনার কথা বলার টোন এবং আপনার মুখের ভঙ্গিমা দেখে সেটা  সবাই বুঝতে পেরে যাবে। যা আপনাকে রেপোট বিলড করতে  দেবে না সুতরাং কারো সাথে কথা বলার সময় উষ্ণ- উৎসাহী- আত্মবিশ্বাসী সহায়ক সাচ্ছন্দ এই পজিটিভ এটিটিডগুলো যেন অবশ্যই থাকে।

২। পরে আসব আর্ট গা সিনক্রোনাজেশনঃ আর তাই আপনি যদি ক্রিকেট খেলা ভালোবাসেন তো তাদের সাথে আপনার ভালো জমবে যারা ক্রিকেটে ইন্টারেস্টেড থাকে। আপনি দেখবেন সিমিলার টাইপের  লোকেরা খুব তাড়াতাড়ি নিজেদের মধ্যে মিশে যায় এবং কম্পোরটেবল কানেক্শন বানিয়ে নেয়।কেন? কারন এটাই সত্যি যে আমরা  তাদের সাথেই বেশি থাকতে ভালোবাসি এবং তাদেরকেই বেশি  পছন্দ করি যাদের চিন্তা-ভাবনা ধারণা পছন্দ আমাদের মত হয়। তাদের সাথে আমাদের খুবই কম যাবে- যারা আমাদের উল্টো চিন্তা-ভাবনা রাখে। অতএব আমরা যদি সামনের মানুষটার সাথে নিজেদের সিনক্রোনাইজ করতে পারি এবং তার মত ব্যবহার করতে পারি তাহলে তার সঙ্গে একটা ভালো রেপোর্ট বিল্ড হতে পারে। প্রশ্ন হলো আমরা সিন্ক  কিভাবে পড়তে পারি ? প্রতিটি মানুষের থট আইডিয়া আলাদা আলাদা হলেও কিছু কমন জিনিস আছে যেগুলোতে সিন্ক করে  আমরা একজনের সাথে কানেকশন তৈরি করতে পারি এখানে ৩ভি এর প্রতি মনোযোগ দিতে হবে প্রথম ভিজুয়াল দ্বিতীয় ভোকাল এবং তৃতীয় ভারবাল। আমাদের সব থেকে বেশি ৫৫% কমিউনিকেশন হয় ভিজুয়াল থেকে।যেটা হল আমাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ।৩৮% কমিউনিকেশন ডেপেন্ড করে ভয়েজ টোনের উপর এবং মাত্র ৭% ভারবাল কমিউনিকেশনের উপর।মানে যেসব কথা ওয়ার্ড আমরা বলে থাকি। তো এখানে ভিজুয়াল মানে আমাদের বডি ল্যাংগুয়েজ সবথেকে বেশি ইম্পরটেন্ট যাকে আমাদের সিন্ক করা সবথেকে বেশি জরুরি ।এখানে আপনি বডিল্যাঙ্গুয়েজ সিন্ক করার জন্য একটি সাধারণ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন  যাকে আমরা বলি মিরোরিং মানে এখানে আপনাকে সামনে থাকা মানুষটির বডিল্যাঙ্গুয়েজ কে কপি করতে হবে ।মানে সে যদি কথা বলার সময় হাতের উপর হাত রাখে আপনিও তাই করুন সে যদি আপনার দিকে একটু লীন হয় আপনিও একটু লীন হোন। সুতরং কথা বলার সময় যতটা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কপি করা দরকার তা করুন।কিন্তু  মনে রাখবেন সে যেন বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে ইচ্ছে করে কপি করছেন কারণ একবার যদি সে বুঝে যায় যে কিছু গড়বড় আছে তাহলে আর রেপোর্ড বিল্ট হবে না।

 এবার আসব ভোকাল কোমিউনিকেশনে। আপনার বলার কায়দার উপর ৩৮% ডিপেন্ড করে সুতরাং এটা  সিন্ক বরা খুবই দরকার ।ভোকাল সিন্ক করার জন্য প্রথম যে সিন্ক করা দরকার তাহলো আমাদের  সামনের মানুষটির টোন অব ভয়েস মানে আপনার সামনের মানুষটি যদি এক্সাইটেড ভাবে কিছু জিজ্ঞেস করে তাহলে আপনিও এক্সাইটেি ভাবেই জবাব দিন।যদি সে ইমোশনাল ভাবে বলে আপনিও ইমোশনাল ভাবেই বলুন।ঠিক একইভাবে আপনি তার কথা বলার ভলিউম এবং স্পীড এ দুটোকেও সিন করতে পারেন। যদি সে তাড়াতাড়ি কথা বলে আপনিও তাড়াতাড়ি বলুন ।যদি সে ধীরে বলে আপনিও ধীরে বলুন। তারপর আপনি তার কথা বলার ছন্দ এবং মাত্রা এ দুটোকেও সিস্ক করতে পারেন।



 তারপরে আছে ভার্বাল কমিউনিকেশনঃ  ভার্বাল কমিউনিকেশন  সামনের মানুষটি কথা বলার সময় কী কী ওয়ার্ড ইউজ করছে এবং কি কি বিষয়ের উপর কথা বলছে ।এ নিয়ে পরে আমরা আরো ডিটেইলস আলোচনা করব।

 3 congruityঃ

মানে সামনযস্য ।আপনি দেখে থাকবেন আমরা যখন কোন মুভি দেখি কোন একটা ক্যারেক্টারকে আমরা নিজের মত ভেবেনি। যদিও আমরা জানি সবটাই ফেইক  তবু আমরা তার দুঃখে দুঃখিত হই ।তার আনন্দে আনন্দিত হই। সে মুভিতে যা দেখানো হচ্ছে তা বিশ্বাস করতে শুরু করি এবং ইমোশনাললি  কানেক্ট হয়ে যাই। কেন? কারন কনগ্রুটি । যারা ভাল একটোর তারা একটিং করার সময় তারা কমিউনিকেশনের এই তিন ভি কে সবসময় অনুরূপ রাখে। মানে তাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ভয়েজ টোন এবং ভোকাল এই তিনটি জিনিস একে অপরের সথে অনুরূপ থাকে।ফলে তাদের একটিং আমাদের সত্যি এবং বিশ্বাসযোগ্য লাগতে থাকে। সুতরাং আপনি যদি চান মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করুক এবং ইমোশনাল কানেক্শন তৈরি করতে তাহলে আপনাকে কনগ্রুটি রাখতে হবে। মানে আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ভয়েজ টোন এবং ওয়ার্ড এ তিনটির প্রতি আপনার কনফিডেন্স থাকতে হবে।

নেক্টে আসব

৩। কমিউনিকেটঃ

এখানে আপনি জানবেন একটি মানুষ সাথে প্রএথম দেখা হলে কি কি কথা বলা উচিত অথবা কি ওয়ার্ড ইউজ করা উচিত। কিছু মানুষ আছে যারা প্রথম সাক্ষাতে কী কথা বলা উচিত তা বুঝে উঠতে পারেন না এবং কি কি কথা বলে কনভারসেশনটি কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় যাতে তার কমপারেটিভ মানুষের পছন্দ হয়। যেহেতু এটা একটা খুব বড় বিষয় সুতরাং এই বিষয়ের উপর আমি নেক্ট একটি  ভিডিও বানাবো ।এবার প্রশ্ন হলো আজ আমি ভিডিওটি কেন শেয়ার করলাম? এই ভিডিওটি তাদের জন্য যারা আমাদের নেটওয়ার্ক মার্কেটিং কে ভালোবাসেন এবং নেটওয়ার্ক মার্কেটিং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চান ।যেদিন আপনি মানুষের সাথে ইমোশন লেভেলে কানেকশন তৈরি করা শিখে যাবে সেদিন থেকে আপনি নেটওয়ার্ক মার্কেটিং এ সফল হতে শুরু করবেন কারন একটা নেটওয়ার্ক মার্কের্টি এ সফল হওয়ার একটি পাওয়ারফুল টুল  আর আমাদের সাথে যুক্ত হতে চান যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে আপনাকেও সফল বানাতে চাই এটাই আমাদের আসল উদ্দেশ্য আমাদের সাথে যদি ভিডিওর মাধ্যমে লাইফটাইম যুক্ত থাকতে চান শেয়ার করার পর বেল আইকনে অবশ্যই প্রেস করুন। তবে আমাদের ভিডিওগুলির নোটিফিকেশন পেতে থাকবেন ভিডিওটি শেয়ার করে সাহায্য করুন সেই সব মানুষদের যারা শিক্ষিত হয়েও বেকার বসে আছে।কারন বিশ্বের বড় বড় অর্থনীতিবিদরা বলছেন নেটওয়ার্ক মার্কেটিং হলো ২১ সেনচুরি বিজনেজ অতএব নেটওয়ার্ক মার্কেটিং হতে পারে আমাদের মত সাধারন মানুষকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে।আর সবশেষে আমরা একটা কথা সবসময় বলি change your thoughts -change your life.

No comments:

vehicles

[test][stack]

business

[test][grids]

health

[test][btop]